জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গোপালগঞ্জে সাম্প্রতিক ঘটনার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন স্পষ্ট হয়েছে এবং এ পরিস্থিতির পর তাদের আর আত্মসমালোচনার বা তওবার সুযোগ নেই। তার ভাষায়, ‘কেয়ামতের পরে তওবা গ্রহণ হয় না।’ তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যদি আবার ক্ষমতায় ফেরে, তার ফলাফল কী হতে পারে—তা ইতোমধ্যে গোপালগঞ্জেই দেখা গেছে।
শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া বিজয়স্তম্ভ এলাকায় এনসিপি আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত বলেন, "যারা গণহত্যার সময় অর্থের বিনিময়ে বিবেক ও কলম বিক্রি করেছে, যারা সত্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে হত্যাযজ্ঞের পক্ষে কথা বলেছে, তারা এই জাতির জ্ঞানপাপী। এদের দিয়ে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ সম্ভব নয়। আমরা এখন একটি আওয়ামী লীগবিহীন বাংলাদেশ গঠনের পথ ধরেছি।"
তিনি আরও বলেন, "গোপালগঞ্জে আমাদের ওপর যে হামলা হয়েছে, তা ছিল পূর্বপরিকল্পিত। যারা এই ঘটনার পরও আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়েছে, তারা হয়তো তাদের তালিকায় নেই, কিন্তু আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—আওয়ামী লীগের পুনরাবির্ভাব মানেই গণতন্ত্রের জন্য আরেকটি বিপর্যয়।"
তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ‘সুশীলতা’ দেখানোর সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, "আপনারা যেভাবে সম্পর্ক বজায় রাখতে চান, আমি হাসনাত আবদুল্লাহ, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সেই রকম সম্পর্ক রাখবো না।"
পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ।