
বিডিআর হত্যা, শাপলা চত্বর এবং ২৪ জুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতীকী ফাঁসি কার্যকরের কর্মসূচি পালন করেছে কয়েকটি নাগরিক ও ছাত্র সংগঠন।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘জাগ্রত জুলাই’ এবং ‘জুলাই ঐক্য’ যৌথভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি, সাংবাদিক ইসরাফিল ফরাজী, এবি জুবায়েরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতীকী রায় ও প্রতীকী ফাঁসি
অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতীকী বিচার পরিচালনা করা হয় এবং ‘প্রতীকী ফাঁসি’ কার্যকর দেখানো হয়। আয়োজকরা বলেন, এটি একটি প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি। তাদের দাবি— বিডিআর বিদ্রোহ, শাপলা চত্বর ও জুলাই গণআন্দোলনে নিহতদের বিচারের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে বক্তারা একটি বার্তা দিয়েছেন যে, তাদের মতে এই ঘটনাগুলোর জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি।
বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়া
এই কর্মসূচি নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সমর্থকরা একে ‘গণদাবির প্রতিফলন’ হিসেবে দেখলেও, সমালোচকরা একে উস্কানিমূলক ও রাজনৈতিক বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিক মামলায় অভিযুক্ত এবং পলাতক বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে তার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।





