
আজ ১২ ভাদ্র ১৪৩২, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। দ্রোহ, সাম্য, প্রেম ও মানবতার কবি হিসেবে তিনি আজও বিশ্বের অনন্য উদাহরণ।
১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া কবির ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হয়ে উঠলেও তাঁর প্রতিভা বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে এক অনন্য দ্যুতি ছড়ায়।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট (১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (তৎকালীন পিজি হাসপাতাল) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সৃষ্টিশীল জীবন ছিল মাত্র ২৩ বছরের, তবে সেই স্বল্প সময়ে তাঁর লেখা কবিতা, গান, প্রবন্ধ, নাটক ও উপন্যাস বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হয়ে আছে।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ভারত সরকার কবিকে বাংলাদেশে পাঠায়। তাঁকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা, ধানমন্ডিতে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় একটি বাড়ি, ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি-লিট, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ও একুশে পদক।
আজ কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন দিয়ে শুরু হয়েছে নানা কর্মসূচি। বাংলা একাডেমি, নজরুল ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করেছে সেমিনার, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, হামদ-নাত ও দোয়া মাহফিল।
বিকেল ৪টায় বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। নজরুলগীতি পরিবেশন করবেন ফেরদৌস আরা, শহিদ কবির পলাশ ও তানভীর আলম সজীব। আবৃত্তি পরিবেশন করবেন শিল্পী টিটো মুন্সী।
জাতীয় কবির মৃত্যুবার্ষিকীতে আজ দেশের সর্বস্তরের মানুষ জানাবে অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।





