চসিকের উদ্যোগে আজ স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক  :

আজ শনিবার স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা-২০২৬ প্রদান করা হবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) এর উদ্যোগে আয়োজিত স্বাধীনতা বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে। স্বাধীনতা পদক ও সাহিত্য সম্মাননা পদকের জন্য মোট ১০ জন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে।

নগরীর চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম চত্বরে আজ শমিবার বিকেল ৪ টায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সম্মানিত অতিথি থাকবেন সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ ও আবু সুফিয়ান।

স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননার জন্য মোট আটজন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে। স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদানের জন্য প্রয়াত রাজনীতিবিদ আবদুল্লাহ আল নোমান (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মো. একরা-মূল করিম, শিক্ষাক্ষেত্রে চট্টগ্রাম পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নূর আহমদ চেয়ারম্যান (মরণোত্তর), চিকিৎসা ক্ষেত্রে অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ এবং সাংবাদিকতায় দৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. ম. রমিজউদ্দিন চৌধুরী সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন।
এছাড়া ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান, সমাজসেবায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, স্বাস্থ্যসেবায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), সঙ্গীতে শিল্পী আবদুল মান্নান রানা এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় অবদানের জন্য শিল্পী বুলবুল আকতার স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পাচ্ছেন।

অন্যদিকে সাহিত্য সম্মাননা পদকের জন্য গীতিকবিতায় ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, শিশু সাহিত্যে সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার, প্রবন্ধ ও গবেষণায় হারুন রশীদ, কবিতায় শাহিদ হাসান এবং কথাসাহিত্যে জাহেদ মোতালেব মনোনীত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এস এম নছরুল কদির এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজুর রহমান।

এ বিষয়ে মহানগর জাসাসের সদস্য সচিব মামুনুর রশীদ শিপন বলেন-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের নিরলস সাধনা ও বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) “স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা” অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও অনুপ্রেরণার বিষয়। এই সম্মাননা কেবল একটি পুরস্কার নয়, এটি আমাদের সাংস্কৃতিক আন্দোলন, আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রতি স্বীকৃতি। ভবিষ্যতেও আমরা দেশীয় সংস্কৃতি বিকাশ ও জাতীয় চেতনা সমুন্নত রাখতে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর জাসাস ও সংশ্লিষ্ট থানাসমূহের সকল সম্মানিত নেতৃবৃন্দকে উক্ত আনন্দঘন, মর্যাদাপূর্ণ ও গৌরবময় অনুষ্ঠানে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।